আমার অভিজ্ঞতায় IELTS Speaking এর প্রস্তুতি

যাদের ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস নেই বা জড়তা আছে তাদের জন্য IELTS এর স্পিকিং টেস্ট বেশ দুরূহ বলে মনে হতে পারে। তবে আমি মনে করি, প্রতিদিন অন্তত 15 মিনিট করে স্পিকিং এর অভ্যাস করলে এক থেকে তিন মাসে আপনার বেশ ভালো উন্নতি হবে। এছাড়া স্পিকিং এর উপর আরো কিছু টিপস নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন। তাহলে শুরু করা যাক।
IELTS এর প্রতিটি মডিউল অর্থাৎ স্পিকিং, রিডিং, রাইটিং এবং লিসনিং – একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। যেমন আপনি যদি উচ্চারণ করে রিডিং পড়েন তবে একদিকে যেমন আপনার ভোকাবুলারি সমৃদ্ধ হবে তেমনি উচ্চারণে কোন সমস্যা থাকলে তা ধরা পড়বে। আপনি যখন রাইটিং প্র্যাকটিস করবেন তখন আপনি সঠিকভাবে শব্দ এবং বাক্য গঠন করতে পারবেন। যত বেশি লিসনিং প্রাকটিস করবেন তত শব্দ উচ্চারণ সম্পর্কে জানবেন এবং কোন শব্দের কোথায় জোর দিয়ে উচ্চারণ করতে হবে তা বুঝতে পারবেন।

আপনি প্রচুর ইংরেজি মুভি দেখবেন এক্ষেত্রে ব্রিটেনে তৈরি বা ব্রিটিশ এক্সেন্টের মুভিগুলি বেশি করে দেখবেন। তবে মিস্টার বিন বা এই জাতীয় মুভিগুলো খুব একটা কাজে আসবে না। কারণ সেখানে কথা প্রায় নেই বললেই চলে। একটি মুভি দুই বার দেখবেন। প্রথমবার মুভি দেখার সময় আমরা অনেক কিছু মিস করি। পরের বার দেখার সময় মিস করা বিষয়গুলি আমাদের কাছে ধরা পড়ে এবং অনেক কিছু স্পষ্ট হয়ে যায়।
মুভি দেখার সময় কথাগুলো যদি একেবারেই বুঝতে না পারেন তবে সাবটাইটেল অন করে মুভি দেখবেন।

https://www.bbc.co.uk/sounds লিংকে গেলে আপনি বিভিন্ন ক্যাটাগরির অডিও পাবেন। যেমন কমেডি, ড্রামা, ডকুমেন্টারি ইত্যাদি। প্রতিটি ক্যাটাগরির ভেতরে পাবেন অসংখ্য অডিও। অডিও গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনবেন। বিশেষ করে ডকুমেন্টারি এবং সাইন্স এর অডিওগুলি বেশি শুনবেন। এছাড়া অন্য যে কোন ক্যাটাগরির অডিও, যা আপনার ভালো লাগবে তাই শুনবেন।
উপরের টিপসগুলো আপনার লিসনিং এবং স্পিকিং এ সহায়তা করবে। তবে স্পিকিং ভালো করার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রতিদিন নিজে নিজে প্র্যাকটিস করতে হবে। এজন্য একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন বা ভয়েস রেকর্ডার সাথে রাখতে হবে। ইন্টারনেটে সার্চ দিলে অসংখ্য স্পিকিং টপিক পাবেন। এগুলো থেকে একটি করে টপিক নিয়ে দুই থেকে তিন মিনিট ইংরেজিতে কথা বলবেন। কথাগুলো রেকর্ড করবেন। পরে এ কথাগুলো রেকর্ডার থেকে বাজিয়ে শুনবেন। এতে আপনার দুর্বলতাগুলো বেরিয়ে আসবে। বুঝতে পারবেন কোন কোন শব্দ ভুল উচ্চারণ করেছেন বা ভুল বলেছেন। গ্রামারে কি কি সমস্যা রয়েছে। কথা বলার সময় um, ah ইত্যাদি শব্দ একেবারেই ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে কথা বলার মাঝে তাল মিলিয়ে কিছুক্ষণ বিরতি দিন। স্পিকিং এ ভালো করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্কিল হলো ইমাজিনেশন বা কল্পনা। যেমন ধরুন, আপনাকে বলা হলো ‘পরিচিত কাউকে অনেকদিন পর দেখেছেন’ – এ ব্যপারে বলতে। তাৎক্ষণিক আপনি বানিয়ে ফেললেন, গতকাল আপনার জন্মদিন ছিল। সেখানে অনেকদিন পর আপনার এক দূর সম্পর্কের মামার সাথে দেখা হয়েছে। সে বেশ মোটা হয়ে গিয়েছেন। যদিও বাস্তবে হয়তো আপনার এমন কোন মামা নেই এবং গতকাল আপনার জন্মদিনও ছিল না। এভাবে চট করে যে কোন বিষয়ে কল্পনা করতে পারলে তা স্পিকিংয়ের রসদ জোগাতে সহায়তা করবে। এর ফলে আপনি বেশি সময় চুপ করে বসে থাকবেন না। আজ এ পর্যন্তই আগামীতে আরও টিপস নিয়ে হাজির হব আপনাদের সামনে। IELTS এর প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আপনার যদি কোন টিপস অথবা আইডিয়া থাকে তাহলে আশা করি কমেন্টস এর মাধ্যমে শেয়ার করবেন।

Leave a Reply